চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টা মামলায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমান ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (১৭ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জুনাইদ এই আদেশ দেন।
আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মোহাম্মদ মহিন উদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মামলার এক নম্বর আসামি ফাহিমসহ মোট ১১ জন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে প্রধান আসামি ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।
বিচারক তার আদেশে উল্লেখ করেন, মামলার নথি ও এজাহার পর্যালোচনায় আসামি মুশফিকুর রহমান ফাহিমের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং মামলাটির তদন্ত বর্তমানে চলমান রয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় আদালত আসামি ফাহিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং তার বিরুদ্ধে ‘কাস্টডি ওয়ারেন্ট’ (সি-ডব্লিউ) ইস্যু করার আদেশ দেন।
অন্যদিকে মামলায় অভিযুক্ত বাকি ১০ আসামিকে জামিন দিয়েছেন আদালত। জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- মো. সোহেল, শামীম, শাকিল, মো. মোশারফ ওরফে সিএনজি মোশারফ, রাসেল, আরিফ ওরফে কন্ট্রাকটর আরিফ, হৃদয়, আল-আমিন, জাভেদ এবং জয় খান।
এর আগে গত ৬ মে রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় এই চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ২৬। ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৮৫/৩৮৬/৩৭৯/১১৪/৫০৬ দণ্ডবিধি।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আসামি মুশফিকুর রহমান ফাহিম বাদীকে এলাকায় ব্যবসা করার জন্য প্রতিমাসে চাঁদা বাবদ ৩০ হাজার টাকা করে দিতে বলে। এই চাঁদা না দিতে চাইলে গত বছরের ৬ মে আসামিরা বাদীর কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। সেই টাকা না দিলে বাদীকে মারধর করে এবং প্রাণনাশের চেষ্টা করে।
এর আগে গত বছরের ১২ জুলাই দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আওতাধীন যাত্রাবাড়ি থানা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান ফাহিমকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
