Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.
রাজধানীর গুলিস্তানে চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
আজ শনিবার বিকেলে ফুলবাড়ীয়া ফ্লাইওভারের নিচে আয়োজিত বিক্ষোভে হামলা হলে ব্যবসায়ীসহ ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি জামায়াতের।
তবে পুলিশ বলছে, কোনো হামলার খবর তাদের কাছে নেই এবং সেখানে হাতাহাতি হয়েছে।
জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমাদের নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা যখন বিক্ষোভের জন্য জড়ো হচ্ছিলেন, তখন স্থানীয় বিএনপি কর্মী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীরা মিলে ছুরি, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়।’
‘বিএনপি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের সঙ্গে জড়িত এবং সম্প্রতি তারা সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে ও কম্পিউটার সরিয়ে নগর প্লাজা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে,’ বলেন তিনি।
জামায়াতের দাবি, ব্যবসায়ীদের অনুরোধে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলের প্রতিবাদে এই মিছিলের আয়োজন করেছিলেন।
আবদুস সাত্তার সুমন বলেন, ‘হামলায় ১৫-২০ জন ব্যবসায়ী ও জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
যোগাযোগ করা হলে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সম্প্রতি মার্কেটটি তদারকির জন্য একজন সমবায় কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর অধিকাংশ সদস্যই জামায়াত সমর্থক।’
‘কমিটি মার্কেটের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তারা অপপ্রচার শুরু করে যে মার্কেটটি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে,’ বলেন ওসি
ওসি মাহফুজুল আরও বলেন, ‘বিকেলে ২০-২৫ জন জামায়াত সমর্থক সেখানে সম্ভবত মিটিং করতে জড়ো হয়েছিলেন। আমাদের ধারণা, এটা ছিল তাদের মার্কেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা। আর বিএনপি কর্মীরা আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিল, তারা ছিল প্রায় ২০০ জনের মতো। দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে বিএনপি সমর্থকরা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য হাতাহাতি হয়।’
ওসি জানান, এসময় এক জামায়াত কর্মী আহত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘গুরুতর কোনো আঘাত বা আহতের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।’
