মামলার আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা কৃষক দলের এক নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁর নাম জসিম চৌধুরী। বহিষ্কারের আগে উপজেলার বামনী ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্যসচিব পদে ছিলেন তিনি।
আজ শুক্রবার রায়পুর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেনের সই করা এক চিঠির মাধ্যমে ওই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকায় মো. জসিম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলো। উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব এ বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিটের অডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘ভাই, বোঝেন তো অস্ত্র মামলা, হত্যা মামলা। যদি এই মামলা একবার ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে ২, ৪, ১০ ও ১৫ বছরেও কিছু হবে না। জমি বিক্রি করেন, আমারে টাকা দেন।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, ফাঁস হওয়া অডিও জসিম চৌধুরীর। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জহির উদ্দিনকে মামলা থেকে বাঁচানোর বিনিময়ে টাকা দাবি করেন জসিম। তবে জসিম চৌধুরী দাবি করেছেন, অডিওটি এডিট করা। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে ষড়যন্ত্র করে এটি ফাঁস করা হয়েছে।
রায়পুর উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক কাউসার মোল্লা বলেন, চাঁদা দাবির ঘটনার জসিমকে শোকজ করা হয়; কিন্তু তিনি শোকজের সন্তোষজনক জবাব দেননি। এ কারণে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জসিমের ব্যক্তিগত অপরাধের দায় দল নেবে না।
