কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে আবাসিক ভবন থেকে এক নারীসহ যুবদল নেতা এসএম সালাহ উদ্দিনকে স্থানীয় লোকজন আটক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় সেখানে মদ পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তবে মদের বিষয়টি অস্বীকার করে সালাহ উদ্দিন দাবি করেছেন, স্থানীয়রা চাপ প্রয়োগ করায় তিনি বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে নাঙ্গলকোট বাজারের ছোট বটগাছ এলাকার একটি আবাসিক ভবনে নারীসহ সালাহ উদ্দিনকে আটক করেন। সালাহ উদ্দিন উপজেলার মক্রবপুর পূর্বপাড়া হাজী বাড়ির আব্দুস সাত্তারের ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, সালাহ উদ্দিন প্রায়ই বিভিন্ন নারীকে ওই এলাকায় নিয়ে আসা-যাওয়া করতেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগে থেকেই নানা আলোচনা সমালোচনা রয়েছে।
তবে আটক নারীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেছেন সালাহ উদ্দিন।
অভিযোগের বিষয়ে মদ রাখার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সালাহ উদ্দিন বলেন, তারা সবাই চাপ দিয়ে বলতে বলেছে। আমি সেখানে একা ছিলাম, তাই স্বীকার করেছি। তবে মেয়েটি আমার ২য় স্ত্রী।
