প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরার গুড়পুকুরের মেলাকে পুঁজি করে এবার প্রশাসনের সঙ্গে মিলেমিশে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠন যুবদল-ছাত্রদলের কোটি টাকা আদায় ও লুটপাটের খবরে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ, ক্ষমতাসীন দলের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে মেলায় স্টল বরাদ্দ, স্টলের দৈনিক ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিলের নামে অর্থ আদায়, মেলা চত্বর ও স্টলের নিচে বসানো ইটের ভাড়া, পৌর দীঘিতে বোট রাইড, এমনকি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে শৌচাগার ব্যবহার – বিভিন্ন খাতে মেলায় স্টল বসানো ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া কয়েক কোটি টাকা অবৈধভাবে ঢুকে গেছে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার শীর্ষ অফিসার এবং ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাদের পকেটে। যার কোনো হিসাব নেই সাতক্ষীরা পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের কাছেও।

মেলার কোটি কোটি টাকা ‘সাপ-ব্যাঙ’ অর্থাৎ প্রশাসন ও লুটেরা চক্র একসাথে মিলেমিশে লুটেপুটে খাওয়ার ঘটনা যখন অবৈধ টাকার পাহাড়ে ধামাচাপা পড়েছে, তখনই মঙ্গলবার ‘৪শ’ বছরের গুড়পুকুর মেলা লুটেপুটে খেল কারা?’ শিরোনামে অনলাইন সংস্করণে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব প্রকাশ করে প্রতিদিনের বাংলাদেশ। মুহূর্তেই ওই সংবাদে তোলপাড় শুরু হয় সাতক্ষীরাসহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। গাত্রদাহ শুরু হয় জেলা প্রশাসন ও পৌরসভাসহ সাতক্ষীরার ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের।

প্রতিদিনের বাংলাদেশের ওই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী এ মেলাকে লুটপাটের আঁখড়া বানানোর নেপথ্যে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জে এম দুদায়েভ মাসুদ অর্ঘ্য, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন ও কথিত ইজারাদার হাসান শিকদারের সংশ্লিষ্টতা।

এরই মধ্যে গুড়পুকুর মেলার লুটেপুটে খাওয়া কয়েক কোটি টাকার হিসাব ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকি নিয়ে সরব হয়েছে সচেতন নাগরিক সমাজ ও জামায়াত-এনসিপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো। কথিত ইজারা বা মেলা থেকে আদায়কৃত কত টাকা ই-চালান বা ট্রেজারি কোডের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে?, স্টল বসানো উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কত টাকা আদায় করা হয়েছে?, মেলার আয়োজন কিভাবে হলো এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (PPR, 2008) অনুসরণ করে মেলা ইজারার জন্য পত্রিকায় উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল নাকি গোপন সমঝোতায় বিশেষ কোনো গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক নেতাদের ইজারা দেওয়া হয়েছে?, মেলার আয় রাজনৈতিক নেতাদের ভাগাভাগির খবর সত্যি হলে জেলা প্রশাসকের অবস্থান কী?, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) নিয়ম অনুযায়ী মেলার আয় থেকে শতকরা কত টাকা সরকারি ট্যাক্স ও ভ্যাট হিসেবে এনবিআর কোডে জমা করা হয়েছে? মেলার জন্য সরকারি আদেশে (GO) কোনো নির্দিষ্ট ‘মেলা পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছিল কি না এবং থাকলে সেই কমিটির অফিশিয়াল মিটিং রেজুলেশন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য কী? এবং মেলার ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইজারাদারের কাছ থেকে কত টাকা নিরাপত্তা জামানত (Security Deposit) রাখা হয়েছে এবং মেলা শেষে স্থানটি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা কী? সে প্রশ্ন তুলে অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

মেলার কোটি কোটি টাকা লুটতরাজ নিয়ে ওঠা এসব স্পর্শকাতর প্রশ্নের জবাব গণমাধ্যমের বরাতে জনসম্মুখে উপস্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানিয়েছে দলটি। তারা বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদী আমলের প্রশাসন কিছুদিন নিরপেক্ষ থাকলেও,আবারও পুরনো চরিত্রে ফিরে যেতে চাইছে। তাদেরকে জনগণের জন্য কাজ করতে বাধ্য করতে হবে। আমলাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে- এটা নতুন বাংলাদেশ!’ জেলা প্রশাসনকে হিসাব বুঝিয়ে দিতে বাধ্য করতেও সাধারণ মানুষের কণ্ঠকে সচল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এনসিপি নেতারা। একইসাথে মেলাকে পুঁজি করে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে ধিক্কার জানিয়েছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক।।

অনুসন্ধান বলছে, পৌরসভার মালিকানাধীন শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা বসালো জেলা প্রশাসন, অথচ সেই মেলার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি এবং ছাত্রদল ও যুবদল নেতারা। খাতে খাতে ব্যবসায়ী ও দর্শনার্থীদের জিম্মি করে মেলা থেকে প্রতিদিন হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে গত ২০ দিনে হাতিয়ে নেওয়া সম্ভাব্য ২ কোটি ৪০ লাখ থেকে ৩ কোটি টাকা জেলা ও পৌরসভা প্রশাসনের সাথে মিলেমিশে ভাগবাটোয়ারা করে ফেলেছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা! যার ছিটেফোঁটা রাজস্বও বৈধভাবে পৌঁছায়নি জেলা প্রশাসন বা পৌরসভার সরকারি কোষাগারে। ফলে মেলা থেকে কোটি কোটি টাকা হাতানো হলেও, সরকারি খাতায় আয় শূন্য। তবে এটি ব্যবসায়ীদের তথ্যনির্ভর আনুমানিক হিসাব; মেলার মোট আয়, ব্যয় ও প্রকৃত মুনাফার নিরীক্ষিত হিসাব জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার অনীহা, তথ্য প্রদানে গড়িমসি ও তালবাহানার কারণে পাওয়া যায়নি।

মেলায় স্টল বসানো ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দোকানভেদে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া, বিদ্যুৎ বাবদ ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইটের জন্য ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। দোকান স্থাপনে অগ্রিম নেওয়া হয়েছে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এসব খাতের বাইরে বোট রাইড ও শৌচাগার থেকেও হাতানো অর্থ মিলিয়ে চক্রটি দৈনিক ১৩ থেকে ১৫ লাখ টাকা মেলা থেকে আদায় করেছে বলেও দাবি ব্যবসায়ীদের।

আর ২০ দিন লুটেপুটে খাওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে মেলার সব কার্যক্রম বন্ধের কথা থাকলেও জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের অদৃশ্য ইশারায় কথিত ইজারাদারের ঘাড়ে বন্দুক রেখে বহাল তবিয়তে মেলার কার্যক্রম ও অর্থ লোপাট চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

নির্ধারিত সময় শেষেও কোটি টাকার কেলেঙ্কারিতে বিতর্কিত মেলা বন্ধ বা উচ্ছেদের উদ্যোগ না নিয়ে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ দাড় করিয়েছেন ‘উদ্ভট যুক্তি’। লুটপাটের পরও নিজেকে ‘মানবিক ও দয়ালু’ হিসেবে উপস্থাপন করে বলছেন, কথিত ইজারাদারের ব্যপক টাকা বিনিয়োগ করে বসানো মেলার প্যান্ডেল খুলতে কয়েকদিন সময় দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রভাবে মেলার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ও কোটি টাকা লুটপাটে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন যুবদল-ছাত্রদলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলছেন, সরকারদলীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ ছাড়া এমন মেলা চালানোর সক্ষমতা জেলা প্রশাসন বা ইজারাদারের নেই। যুবদল ও ছাত্রদল নৌকা ও ইট ভাড়া করে মেলায় পুঁজি খাটিয়ে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে কিছু উপার্জন করছেন। তার দাবি, বিনোদনের জন্য নাছোড়বান্দা সাতক্ষীরার মানুষের জন্যই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মেলাটি বসিয়েছেন তারা। মেলায় ঝামেলা সৃষ্টি বা চাঁদাবাজি না করে এভাবে উপার্জন করলে ক্ষতি কি? এমন প্রশ্নও তোলেন ওই বিএনপি নেতা! তবে মেলা ঘিরে আদায়কৃত অর্থের পরিমাণ এবং সেই অর্থ কোথায় গেল তা নিয়ে কিছুই বলেননি তিনি। তাছাড়া স্থানীয় সাংবাদিকরাও মেলার পক্ষে আছে উল্লেখ করে লুটপাটের টাকায় প্রেসক্লাবের কল্যাণ তহবিল মোটাতাজাকরণেরও ইঙ্গিত দেন তিনি।

মেলার কথিত ‘ইজারাদার’ হাসান শিকদারের আওয়ামী সম্পৃক্ততা নিয়েও কথা বলেন আবু জাহিদ ডাবলু। বলেন, হাসান শিকদার বা তার বাবা নড়াইলের আওয়ামী লীগ নেতা মানিক শিকদারকে নয়, খুলনার ‘অজ্ঞাত’ কাউকে মৌখিকভাবে মেলা ইজারা দিয়েছিলেন তিনি। তাছাড়া হাসান শিকদারের আওয়ামী সম্পৃক্ততার কোনো প্রমানও তিনি পাননি। তবে জেলা প্রশাসন আয়োজিত মেলা তিনি কিভাবে ইজারা দিলেন এবং জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার পরিবর্তে কেনইবা বিএনপি বা যুবদল ও ছাত্রদল বিনিয়োগ করে ইট ও নৌকা ভাড়া করে মেলায় নামিয়ে উপার্জন করছে- সে প্রশ্নেরও সুনির্দিষ্ট জবাব দিতে পারেন নি তিনি।

আর ২০ দিনের মেলা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের পর চলছে তাও জানেনা খোদ পৌরসভা। এমনকি মেলা থেকে কোটি টাকা আদায় হলেও কোন রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি বলে জানিয়েছেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান। প্রশ্ন উঠছে, আদায় করা বিপুল অর্থ কার কাছে জমা হয়েছে? কোন অনুমতিতে খাতে খাতে অর্থ আদায় করা হয়েছে, আর সেই অর্থের হিসাবই বা কোথায়?

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশ অর্থ আদায় ও ভাগাভাগির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। শহরে বাস করে তিনিই জানেন না, অথচ লুটপাটের খবর সাংবাদিকরা কীভাবে পায়? প্রশ্ন করেন পলাশ।

মেলায় যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে ইট ভাড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহ, বোট রাইড চালানোর কথা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বীকার করলেও, অস্বীকার করে বসেন জেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুকুল। বলেন, জীবনে কখনো মেলায় ঢুকেননি তিনি। আর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জে এম দুদায়েভ মাসুদ অর্ঘ্য শুধু ইট কিনে মেলায় বিছিয়ে ভাড়া খাটানোর কথা স্বীকার করেন। তাঁর দাবি, তাঁরা শুধু ইটের ভাড়া নিয়েছেন। অন্য অভিযোগে সম্পৃক্ততা নেই ছাত্রদলের।

মেলায় স্টল বসানো ব্যবসায়ীদের পকেট কেটে কোটি টাকা আদায় ও লুটপাটের অনুসন্ধানকালে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন।

মেলায় স্টল নেওয়া জুঁই হানি ফার্মের স্বত্বাধিকারী নাহিদা আক্তার বলেন, তাঁবুর জন্য ৭ হাজার, ডেকোরেশনের জন্য ৯ হাজার এবং ইট বাবদ ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এর বাইরে প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং তিনটি লাইটের জন্য ৩০০ টাকা দিতে হচ্ছে। শৌচাগার ব্যবহারে প্রতিবার ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আচার-চাটনির দোকানি আব্দুস সামাদ বলেন, তাঁবু ও ডেকোরেশনের জন্য মোট ৩০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিন ৪ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে, যার মধ্যে পাঁচটি লাইটের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়। এমন অভিযোগ অন্যান্য উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদেরও।

এদিকে, মেলায় গভীর রাতে জুয়ার আসর বসছে এবং প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ টাকা আদায় হচ্ছে- উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আলীনুর খান বাবুল। মেলা থেকে আদায়কৃত বিপুল অর্থ কোথায় যাচ্ছে, তার হিসাব প্রকাশের দাবি জানান তিনি।

সব মিলিয়ে, মেলার অনুমতি, ইজারা, অর্থ আদায় ও ব্যয়ের হিসাব এবং প্রশাসনের সাথে মিলেমিশে অর্থ লুটপাটের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সম্পৃক্ততা নিয়ে ওঠা স্পর্শকাতর সব প্রশ্নের উত্তর এখনো রহস্যেঘেরা। আর রাজস্ব না পেলেও মুখে কুলুপ আটায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার ভূমিকাও রীতিমতো প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে মেলার আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ, ইজারা ও রাজস্ব – সংক্রান্ত তথ্য এবং বিএনপি ও যুবদল-ছাত্রদলের সংশ্লিষ্টতায় কোটি টাকা আদায় ও লোপাটের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জেলাবাসির।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email