টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যুবদল ও ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে শহিদুল ইসলাম (৩০) নামে এক নির্মাণশ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের জোড়পুকুরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে নিহতের প্রাক্তন স্ত্রী নাসরিন বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
শহিদুল রংপুরের মিঠাপুকুর থানার ইসলামপুর গ্রামের মৃত আলম মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শহিদুল ও নাসরিনের মধ্যে এক বছর আগে ছাড়াছাড়ি হয়। দাম্পত্য জীবনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি-ভিডিও শহিদুলের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ছিল। সম্প্রতি সেগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আবার নাসরিনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে চান শহিদুল। এতে ক্ষুব্ধ নাসরিন মোবাইল ফোনটি নিজের কব্জায় নিতে প্রতিবেশী গোড়াই ইউনিয়ন যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সকাল মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। নাসরিনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে শনিবার গোড়াই জোড়পুকুরপাড় এলাকায় সকালের নেতৃত্বে ইউনিয়ন যুবদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক রবিন শেখ ও ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি তৌফিক ওমর পিটিয়ে আহত করেন শহিদুলকে। স্থানীয়রা কুমুদিনী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক শহিদুলকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গতকাল নিহতের বোন আলেয়া বেগম মির্জাপুর থানায় সকাল, রবিন, তৌফিক ও নাসরিন বেগমের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত অন্তত আটজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক। থানার ওসি রাশেদুল ইসলাম জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেটের কানাইঘাটে পূর্ববিরোধের জেরে ঘরে ঢুকে আবদুল হান্নান হানাইকে (৫৫) কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার ভোরে উপজেলার লক্ষ্মীপ্রাসাদ পূর্ব ইউনিয়নের রাখালছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাখালছড়া গ্রামের পাশের ডাউকেরগুল গ্রামের ফারুক আহমদ ও তার ভাই মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত-আটজন ভোরে আবদুল হান্নানের ঘরে হামলা চালায়। ওই সময় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে তাঁকে আহত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্বজনরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক হান্নানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আবদুল আউয়াল বলেন, এখনও মামলা হয়নি। তবে পুলিশের একাধিক টিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে।
বগুড়া ব্যুরো জানায়, জেলার গাবতলীতে জমি ও মুরগির খামার নিয়ে বিরোধের জেরে তারিকুল ইসলাম ভুট্টুকে (৫০) কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার কৃত্তনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তারিকুল ওই গ্রামের মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে।
ওসি সেরাজুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনও মামলা হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
