ধর্ষণ করতে গিয়ে ধরা খেল ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদল নেতা হওয়া রকি

ঢাকার ধামরাইয়ে রকি মিয়া ওরফে দুদু নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বামী পরিত্যক্তা ওই নারীকে ধর্ষণ করেছেন রকি। পরে তাকে ধরে ফেলে স্থানীয়রা। এরপর পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে ওই নারীকে বিয়ে করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের উত্তরপাড়া বকশিবাজার এলাকার মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মেম্বার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত রকি চৌহাট ইউনিয়নের চৌহার্ট দক্ষিণপাড়া মহল্লার জমিদার মোহাম্মদ চানমিয়ার ছেলে। আওয়ামী আমলে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকা রকি বর্তমানে ছাত্রদল করছেন। এখন তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদের প্রার্থী।

এলাকাবাসী জানান, অনেক আগে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। কিন্তু স্বামী তাকে তালাক দেয়। এরপর থেকে ধামরাইয়ের বাবার বাড়িতে থাকছেন তিনি। বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়াসহ উত্ত্যক্ত করতো রকি।  মঙ্গলবার গভীর রাতে ভুক্তভোগীর রুমে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে।

এ সময় ওই নারীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে রকিকে আটক করে। এরপর তাকে মারধর করা হয়। পরে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ে করেন রকি। কিন্তু বুধবার সকালে কৌশলে ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় এ ছাত্রদল নেতা।

ভুক্তভোগী নারী বলেন, স্বামীর কাছ থেকে তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে আমি বাবার বাড়িতে রয়েছি। রকি আমাকে নানাভাবে কুপ্রস্তাব ও উত্যক্ত করে আসছিল। আমি তার কথায় রাজি না হয় সে মঙ্গলবার গভীর রাতে আমার ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আমার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে আটক করে। এরপর ৫ লাখ টাকার কাবিনে আমাদের বিয়ে হয়। এ বিয়ে মানবে না বলে বুধবার সকালে সে পালিয়ে যায়।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email