খুলনায় চাঁদাবাজির ঘটনায় এনসিপি’র ও ছাত্রদল নেতা কারাগারে

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার নেছার উদ্দিন সড়কে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দবির ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলাবার দুপুরে তাদের থানা থেকে আদালতে আনা হয়। এর আগে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের হয়। তবে এ ঘটনাকে একটি পক্ষ সাজানো বলে দাবি করেছে। সোমবার রাতে কয়রার মদিনাবাদের এসএম শফিকুল ইসলামের কন্যা শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, সোনাডাঙ্গা নেছার উদ্দিন সড়ক বউ বাজার এলাকার পঞ্চম তলার দ্বিতীয় তলায় থাকেন। ওই বাড়িতে অসুস্থ বাবাকে নিয়ে সপরিবারে বসবাস করেন।  গতকাল সোমবার দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে মামলার আসামি মো. মিরাজুল ইসলাম ওরফে মেহেদী ওরফে মিরাজ ওরফে মাহাদী হাসান, মিরাজ গাজী ওরফে বোরহান এবং আরেফিন আল নাহিন বাসা ভাড়া নেয়ার কথা বলে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। ঠিক ১০ মিনিট পরে একই উদ্দেশ্যে পঞ্চম তলার দ্বিতীয় তলায় অনধিকারে প্রবেশ করে। তারা নিজেদের খুলনা জেলা এনসিপি’র সদস্য বলে পরিচয় দেয়। মামলার এক নম্বর আসামি মেহেদী হাসান মিরাজ বাদীর বাবা এসএম শফিকুল ইসলামের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে মোবাইল থেকে একটি ছবি বের করে এবং তাদের জানানো হয় শফিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগ করতেন। এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, মেহেদী হাসান মিরাজ তাদের জানায়, “আমাদের এনসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের নির্দেশে আপনাকে চাঁদা দিতে হবে” বলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি পদর্শন করে। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সাংবাদিককে জানালে তিনি বিষয়টি পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার আরেফিন আল নাহিন খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র এবং শাখা ছাত্রদল বর্তমান কমিটির সদস্য। জানতে চাইলে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হলে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email