নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে বিএনপি প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই পক্ষের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় সেনবাগের কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট এবং সেনবাগ থানার সামনে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুক এবং স্বতন্ত্র কাপ পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের কর্মী-সমর্থকরা সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়ায়।
সেনবাগ থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যায় কাজী মফিজুর রহমানের লোকজন প্রতিবাদ মিছিল বের করে। তখন ধানের শীষের লোকজনও সেখানে জড়ো হয়। এতে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সেনবাগ থানার সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান বলেন, “কাবিলপুর ইউনিয়নে কাপ-পিরিচ প্রতীকের গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে বিএনপি নামধারী একদল দুর্বৃত্ত আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। কিন্তু সেটি গাড়ির সামনের কাঁচ ভেঙে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।”
অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন তার ব্যবহৃত গাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক দফা ইট-পাটকেল ছোড়ে ভাঙচুর করেছে।
ওসি আবুল বাশার বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের গাড়িতে গুলি হয়েছে কিনা, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে হামলা হয়েছে। হামলায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন।
তিনি বলেন, “থানার মোড়ে মফিজুর ও জয়নুল আবেদিন ফারুকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ফারুকের গাড়িতেও হামলা হয়। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।”
