সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ নেতার বিরুদ্ধে

ক্ষেতলালে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আমানুল্লাহ আমানের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনওর কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

‎জানা গেছে, সরকারি পুকুর ইজারা নিয়ে মাটি ও বালু বিক্রি বিষয়ে বিএনপি নেতা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেন আমানুল্লাহ আমানসহ কয়েকজন সাংবাদিক। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন ওই নেতা। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিজ্ঞাপন নিয়ে আলোচনা চলছিল। হঠাৎ করেই আবু বক্কর সিদ্দিক দলবল নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে আমানউল্লাহ আমানের ওপর চড়াও হয়। একপর্যায়ে আবু বক্কর সিদ্দিকের সঙ্গে আসা লোকজন তাঁকে খিলঘুসি মারতে থাকে। এ সময় ইউএনও গোপন কক্ষে গিয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। দ্বিতীয় দফায় তারা আবারও আমানকে মারধর করে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় দিয়ে আসে। পরে আমান নিজেই কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন।

‎সাংবাদিক আমানুল্লাহ আমান বলেন, হঠাৎ করেই সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১০-১২ জন কার্যালয়ে ঢুকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

অভিযোগ অস্বীকার করে  বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘ইউএনও কার্যালয়ে কোনো হামলা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। তবে তাঁর সমর্থকদের সঙ্গে ঠেলাঠেলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।’‎

এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা চৌধুরীর মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি। একপর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email