‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান

রাঙামাটিতে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ © সংগৃহীত

রাঙ্গামাটিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা । এ সময় তারা টাকার বিনিময়ে কমিটিতে পদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে স্লোগান দেন, ‘চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’। শনিবার (২ মে) রাতে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণার পর নেতাকর্মীদের একাংশ ক্ষোভ জানানো শুরু করেন।

রবিবার (৩ মে) শহরের পৌরসভা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাঠালতলী বিএনপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন তারা। সড়কে টায়ার জ্বালিয়েও প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, কমিটিতে বিবাহিত, অছাত্র ও শহরের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।

বিক্ষোভে নতুন কমিটির সহসভাপতি নূর তালুকদার মুন্না, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শাকুর জাভেদ, যুগ্ম সম্পাদক মোখতার আহমেদ ও পারভেজ হোসেন সুমন, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আহাদকেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। নূর তালুকদার মুন্না বলেন, যাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে, তিনি শহরের নেতাকর্মীদেরই চেনেন না। তাকে মেনে নেওয়া হবে না।

পারভেজ হোসেন সুমন বলেন, ‘টাকা ও আইফোনের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। অবিলম্বে কমিটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে হলে নিয়মিত ছাত্রদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।’

অভিযোগের বিষয়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি অলি আহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ছাত্রদল বড় সংগঠন। সবারই ত্যাগ আছে, কিন্তু সবাইকে একসঙ্গে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্বাভাবিক।’ সবাইকে সংগঠনের শৃঙ্খলা মেনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখার আহবান জানান তিনি।

শনিবার রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের স্বাক্ষরে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়। এতে মো. অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক এবং গালিব হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email