গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে গভীর রাতে পরকীয়ার টানে দেখা করতে গিয়ে প্রেমিকার শয়নকক্ষের ড্রামের ভিতরে লুকায়িত অবস্থায় গ্রামবাসীর হাতে আটক হয়েছেন যুবদল নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামে। গ্রামবাসীর হাতে আটক পরকিয়া প্রেমিক যুগলরা হলেন বিরাহিমপুর গ্রামের আনসার সদস্য আরিফুল ইসলাম রানার স্ত্রী শামীমা আক্তার ও একই ইউনিয়নের টিয়াগাছা ভবানীপুর গ্রামের প্রাক্তন শিক্ষক শাহাজাহান মাস্টারের ছেলে আসাদুজ্জামান রতন।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়,গত ৪ জুন বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে ভাতগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ও আম ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান রতন বিরাহিমপুর গ্রামের আনসার সদস্য স্বামীর কর্মস্থলে থাকার সুযোগ নিয়ে তার স্ত্রী শামীমা আক্তারের শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে। এসময় আগে থেকে ওতপেতে থাকা কয়েকজন প্রতিবেশী তাদের হাতেনাতে ধরার জন্য গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে বাড়ি ভিতর প্রবেশ করে শয়ন কক্ষের দরজা খুলতে বলেন।পরবর্তীতে ঐ নারী দরজা খুললে প্রতিবেশীরা ভিতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজির এক পর্যায়ে কক্ষে থাকা চালের খালি ড্রামের ভিতর থেকে পরকিয়া প্রেমিককে আটক করে।
এ ঘটনায় উত্তেজিত গ্রামবাসীর হাতে আটক প্রেমিকা শামীমা আক্তার পরকিয়া সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার করে তাকে উপ¯িথত জনতার নিকট চোর হিসেবে আখ্যায়িত করে।অপরদিকে পৃথক জিজ্ঞাসাবাদে যুবদল নেতা রতন ৬ মাসের সম্পর্ক থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ সময় তিনি আর জানান শামীমা আক্তার তাকে অন্যান্য দিনের ন্যায় ফোন কলের মাধ্যমে গভীর রাতে দেখা করার জন্য ডেকে নেন।
অবস্থার বেগতীক দেখে ৫ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় স্থানীয় চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সাধারণ জনতা জরুরী সেবা নম্বরে কল করলে ঘটনাস্থলে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে উপস্থিত গ্রামবাসীর সামনে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে পরকিয়ায় আটক নারীকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে প্রেমিক যুব নেতা আম ব্যবসায়ীকে পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য.সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের মৃত সিরাজ্জামার ছেলে আরিফুল ইসলাম রানার সাথে ১৪ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।বর্তমানে সেই সংসারে শামীমা আক্তারের ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তান রয়েছে।
