রূপগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের বড় আমদিয়া মৌজায় ১৭ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাজিরটেক এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দেয়াল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে, আলী নেওয়াজের দাবি করা ১৭ শতাংশ জমিতে হেলাল নামে এক ব্যক্তির পক্ষে সুলতান মাহমুদ লোকজন নিয়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় জমির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে আলী নেওয়াজের লোকজন বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন সুলতান মাহমুদ। পরে জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। অভিযোগের বিষয়ে সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘হেলাল আমার সম্পর্কে চাচা হন। তিনি প্রায় ১০ বছর আগে জমিটি কিনেছেন, কিন্তু দখল নিতে পারেননি। তিনি আমার কাছে সহযোগিতা চাওয়ায় আমি লোকজন নিয়ে তার জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। কোনো জোরপূর্বক দখল করা হয়নি।’ জমির দাবিদার হেলাল মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার ক্রয়কৃত জমিতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের জন্য সুলতান মাহমুদের সহযোগিতা নিয়েছি।’ এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ‘জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। উভয় পক্ষকে আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের বড় আমদিয়া মৌজায় ১৭ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাজিরটেক এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দেয়াল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগ রয়েছে, আলী নেওয়াজের দাবি করা ১৭ শতাংশ জমিতে হেলাল নামে এক ব্যক্তির পক্ষে সুলতান মাহমুদ লোকজন নিয়ে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় জমির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে আলী নেওয়াজের লোকজন বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন সুলতান মাহমুদ। পরে জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘হেলাল আমার সম্পর্কে চাচা হন। তিনি প্রায় ১০ বছর আগে জমিটি কিনেছেন, কিন্তু দখল নিতে পারেননি। তিনি আমার কাছে সহযোগিতা চাওয়ায় আমি লোকজন নিয়ে তার জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। কোনো জোরপূর্বক দখল করা হয়নি।’

জমির দাবিদার হেলাল মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার ক্রয়কৃত জমিতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের জন্য সুলতান মাহমুদের সহযোগিতা নিয়েছি।’

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ‘জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। উভয় পক্ষকে আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email