বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ায় ৪ নেতাকে উপাচার্যের অফিশিয়াল প্যাডে অভিনন্দন জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত।
গত সোমবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বাক্ষরিত চার পৃথক বার্তায় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্যকে অভিনন্দন জানানো হয়। বিএনপির ৪ নেতা হলেন- মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও মো. আমানউল্লাহ আমান।
মো. আমানউল্লাহ আমানের শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি জানান, শ্রদ্ধেয় মহোদয়, সালাম জানবেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে আপনার অন্তর্ভুক্তির সংবাদ জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। আপনার এই সফলতায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আমার নিজের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
একজন প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং নব্বই দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে আপনার সক্রিয় ভূমিকা সুবিদিত। দুইবার সফলভাবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানেও আপনি ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে আপনার অনস্বীকার্য অবদান রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা বিশেষভাবে আনন্দিত এ কারণে যে, দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী ফোরামে এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ যুক্ত হলেন। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এই দায়িত্ব পালনে বিশেষ সহায়ক হবে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির পথে ভবিষ্যতে আপনার পরামর্শ ও সহযোগিতা পেলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। পরিশেষে, নতুন দায়িত্বে আপনার সাফল্য কামনা করছি এবং আপনার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মজীবনের সার্বিক কল্যাণ প্রার্থনা করছি। অন্য তিন নেতাকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় তিনি প্রায় একই ভাষা ব্যবহার করেন। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাত বলেন, নতুন দায়িত্ব পাওয়ার কারণে কার্টেসি হিসেবে আমি অভিনন্দন জানিয়েছি।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও উপাচার্যের ক্ষমতাবলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার পক্ষে রাজনৈতিক নেতাকে উপাচার্যের অফিসিয়াল প্যাডে অভিনন্দন জানানো যায় কি না?- এমন প্রশ্নের জবাব দিতে তিনি রাজি হননি।
