মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে ভূল্লী ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে মিছিলটি বের হয়।
মিছিলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূল্লী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জুলফিকার আলীকে অংশ নিতে দেখা যায়। পরে তাকে মিষ্টি খাওয়ান বিএনপির স্থানীয় দুই নেতা—ভূল্লী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নাজমুল ইসলাম লাল এবং জেলা বিএনপির মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান।
জুলফিকার আলীর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় চার তরুণকে হুমকি ও হত্যার অভিযোগে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাকে নামীয় আসামি করা হয়েছে।
আনন্দ মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীরা হত্যা মামলার আসামি একজন আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রকাশ্য কর্মসূচিতে দেখা যাওয়া এবং বিএনপির দুই নেতার তাকে মিষ্টি খাওয়ানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তবে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন তারা। জুলফিকার আলী মামলার আসামি হয়ে থাকলে তার মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত বা সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
