নাটোরের বড়াইগ্রামে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার কয়েকজন সহযোগীর দেশীয় অস্ত্রে শান দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াসহ বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ঘরে বসে হাসুয়া, রামদা ও ছুরি ধার (শান) দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৪ সেকেন্ডের এ ভিডিওতে উপজেলার জোনাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী সাব্বাব হক সাবুসহ তার কয়েকজন সহযোগীকে এসব অস্ত্র ধার দেওয়ার কাজে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। গত দুদিনে ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার কুমারখালী গ্রামের মাহফুজ আলম, চৌমুহন গ্রামের রাহিম হোসেন ও সোহান হোসেন এবং চাটমোহর উপজেলার সন্ধবা গ্রামের কিরণ হোসেনের হাতে একটি করে বড় আকারের রামদা এবং চৌমুহন গ্রামের ফরহাদ হোসেনের ছেলে সাব্বাব হক সাবুর হাতে একটি বড় ছুরি রয়েছে। তারা সবাই নিজ নিজ হাতে থাকা অস্ত্রগুলো ধার দিচ্ছেন। এছাড়া তাদের পেছনে খাটের ওপর কয়েকটি হকিস্টিকও দেখা যায়। সেখানে থাকা অপর চারজন সাব্বাব হক সাবুর বিশ্বস্ত সহযোগী বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর থেকে সাব্বাব হক সাবু পলাতক থাকাসহ মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সাবুর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে বলে তার বাবা ফরহাদ হোসেন দাবি করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ভিডিওটি আমিও দেখেছি। সে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেও আমার জানা মতে বিএনপি বা কোনো অঙ্গসংগঠনে তার কোনো পদ-পদবি নাই।
বড়াইগ্রাম থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, ভিডিওতে যাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
