ত্রাণ লুটের ঘটনায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার

বিএনপি নেতা একরাম

বন্যার্তদের ত্রাণ লুটের ঘটনায় নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. একরামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কবিরহাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরাফাত রহমান হাসান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। জেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক ওমর ফারুক বিবৃতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মো. একরামকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আপনি দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকায় দলীয় প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ হইতে আপনাকে বহিষ্কার করা হলো। কবিরহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন ও সদস্য সচিব মো. কামাল হোসেন সৌরভ ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।’

অবগতির জন্য বিবৃতির অনুলিপি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককেও দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার বিকালে সুন্দলপুর ইউনিয়নের কালামুন্সি বাজারে হামলা চালিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৬০০ প্যাকেট ত্রাণ ছিনিয়ে নেন ওই নেতা। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করে ছাত্রদের ফিরিয়ে দেয়। এ সময় মো. সৌরভ নামে একজনকে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা। সে সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাহের হোসেনের ছেলে। হামলায় মাঈন উদ্দিন আকাশ ও নিহাদ নামে দুই শিক্ষার্থী আহত হন।

বিএনপি নেতা ও কালামুন্সি বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. একরাম বলেন, ঢাকা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ত্রাণ স্থানীয় ছাত্রলীগের কর্মীরা বিতরণের কথা বলে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমি লোকজন নিয়ে উদ্ধারের ব্যবস্থা করি। এখন একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়িয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email