দিনাজপুরের শিবরামপুর ইউনিয়নের মুরালিপুর গ্রামে সংখ্যালঘু এক পরিবারের জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি সোমুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দলীয় লোকজন নিয়ে জমি দখল ও ফসল লুটের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবার জানায়, তাদের জন্মের পর থেকেই জমিটি তারা ভোগ–দখল করে আসছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এলাকার প্রভাবশালী এই বিএনপি নেতা বিভিন্ন সময় তাদের ওপর চাপ, ভয়ভীতি ও হয়রানি চালিয়ে আসছেন—কখনো ধান কেটে নেওয়া, কখনো গরু–ছাগল ধরে নিয়ে যাওয়া, আবার কখনো ফসল নষ্ট করে দেওয়া। এসব কারণে পরিবারটি চরম আতঙ্কে রয়েছে।
এলাকার লোকজন জানান, নেতার লুটপাট ও দখলবাজির ভয়ে এখন অনেকে তাদের গবাদিপশু বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যেন কোনো সংঘাত বা হামলার শিকার হতে না হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, গ্রামে স্বাভাবিক জীবনযাপনই দুরূহ হয়ে পড়েছে।
মুরালিপুরের বাসিন্দারা বলেন, বহুদিন ধরে এমন ঘটনা চললেও ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলেন না। তবে এবার গ্রামের মানুষ বিএনপি নেতা সোমুদ্দিন আহমেদের “লুটপাট ও দখলবাজি” থেকে স্থায়ী মুক্তি চান এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন।
