খাগড়াছড়িতে ছাত্রশিবির থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত মো. রুবেলকে সামনে রেখে ‘অর্ধশতাধিক শিবিরকর্মীর বিএনপিতে যোগদান’ সম্পর্কিত সংবাদকে ভিত্তিহীন দাবি করেছে সংগঠনটির খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা শাখা। সোমবার খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি মো. আব্দুস ছাত্তার এবং সেক্রেটারি আবু ইউসুফ এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, মো. রুবেল দীর্ঘদিন ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সর্বশেষ জেলা সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের মে মাসে শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তার দায়িত্ব স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপির কর্মসূচিতেও নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে তার সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই।
ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনৈতিক আদর্শ বদলানো প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও স্থানীয় বিএনপি নিজেদের দুরবস্থা ঢাকতে যোগদান–নাটক সাজিয়েছে। নিজ দলের কর্মীদের ফুল দিয়ে বরণ করে তা ছাত্রশিবিরের কর্মী যোগদান হিসেবে প্রচার করা রাজনৈতিক প্রতারণা বলেও তারা মন্তব্য করেন। বহিষ্কৃত একজনকে সামনে এনে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, কিছু স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যম যাচাই-বাছাই ছাড়া এ বিষয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করছে, যা সাংবাদিকতার নীতির লঙ্ঘন। তারা গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান এবং স্পষ্ট করেন যে খাগড়াছড়ি বিএনপিতে ছাত্রশিবিরের কোনো নেতাকর্মী যোগ দেননি।
