ভোলায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর ও বিজেপি প্রার্থী আন্দালিভ রহমান পার্থর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণসহ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির জেলা অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ সহ ১০জন আহত হয়েছে। ঘটনার জন্য বিএনপি এবং বিজেপি পরস্পর পরস্পরকে দায়ী করছে।
বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির সোপান জানিয়েছেন, ছাত্র দল নেতা সিফাত হত্যার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিকালে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বিজেপি অফিসের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে বিজেপি অফিস থেকে ককটেল বিস্ফোরণ করে।
এতে উত্তজেনা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে । এক পর্যায়ে কে বা কারা বিজেপি অফিস ভাংচুর করে। বিজেপি অফিসে হামলার বিষয়ে কথা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হকের সাথে। তিনি গণমাধ্যমের কাছে দাবী করে বলেন,ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করেছি। বিজেপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। জেলা বিজেপি সাধারণ সম্পাদক মোতাছিম বিল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের নেতাকর্মীরা কেউই অফিসে ছিলনা। তালাবদ্ধ জনশূণ্য বিজেপি অফিসে দূর্বৃত্তরা কেনো হামলা করলো তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিজেপির সাংগঠনিক মনিরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপির মিছিল থেকে কিছু উশৃংখল কর্মীরা বিজেপি অফিস ভাঙচুর করে অফিসের মধ্যে ময়লা আবর্জনা ফেলে গেছে।
ভোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম জানান যারা হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে, অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।সহকারী রিটানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুজ্জামান নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ হচ্ছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখছেন বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর ইনকিলাবকে জানান তিনি ঢাকায় আছেন তবে তিনি পরস্পর শুনতে পেরেছেন যুবদলের নিহত নেতা সিফাত হত্যার বিচার দাবীতে মিছিল করার সময় তাদের মিছিলের উপর কে বা কারা তাদের মিছিলের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। বিজেপি প্রার্থী আন্দালিভ রহমান পার্থকে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।
