২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে মোট ৮৩০ টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৫৬ জন নিহত ও ৫২৪৬ জনের অধিক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। আর ৮৩০ টি ঘটনার মধ্যে ৭৭০টিতেই বিএনপির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ৮৩০ টি সহিংসতার ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৫৬ জন নিহত ও ৫২৪৬ জনের অধিক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে ৫২৯ টি ঘটনায় ৭৯ জন নিহত ও ৪১২৪ জন আহত ছিলো।
নিহত ৫৬ জনের মধ্যে বিএনপির ৩৭ (৬৬ শতাংশ) জন, জামায়াতের ৬ (১১ শতাংশ) জন ও আওয়ামীলীগের ৩ জন এবং অন্যান্য ০৮ জন, চরমপন্থী ১জন এবং সাধারণ মহিলা ১ জন। এছাড়া, ৮৩০ টি সহিংসতার ঘটনার ৬৭৩ টিই (৮১ শতাংশ) ঘটেছে বিএনপির অন্তর্কোন্দল ও বিএনপির সাথে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে।
এদিকে, ছয় মাসে সহিংসতার ৮৩০ টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ২৭৩ টি ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০৯২ জন ও নিহত ৩১ জন। ২৯০ টি বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ১৮৫২ জন ও নিহত ১০ জন, ৭৭ টি বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ৪৬৪ জন এবং নিহত হয়েছেন ০৭ জন। ৩৩ টি বিএনপি-এনসিপি মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ২৫০ জন, আওয়ামীলীগ-এনসিপির মধ্যে ৩টি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৫১ জন, ৯৭ টি বিএনপি-অন্যান্য দলের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ২৫১ জন।
এর পাশাপাশি দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অন্তত ৬৪ টি ঘটনা ঘটেছে। এসকল হামলায় কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত ও ৯০ জন আহত হয়েছে। নিহত ৩৮ জনের মধ্যে বিএনপির ২০ জন, আওয়ামীলীগের ৯ জন, জামায়াতের ৪ জন ও অন্যান্য দলের ৫ জন সদস্য। এ সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় শতাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া দলীয় কোন্দল ও অন্তর্কোন্দলে ৯ শতাধিক বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠা, দলীয় কার্যালয়ে সংঘর্ষ, হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
এইচআরএসএস বলছে, “আধিপত্য বিস্তার, রাজনৈতিক বিরোধ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা, বিভিন্ন দলের সমাবেশ কেন্দ্রিক সহিংসতা, প্রার্থীর সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, বাড়ি-ঘর, যানবাহন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ও রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।”
এইচআরএসএসের প্রতিবেদনে ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্রীক সহিংসতার তথ্য উল্লেখ বলা হয়, গত ছয় মাসে নির্বাচন কেন্দ্রিক ৩৯৬টি সহিংসতার ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং ২,৫৭৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ৬০০ টিরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
নিহতদের রাজনৈতিক পরিচয় বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ১৩ জন নিহতের মধ্যে বিএনপির ৯ জন, আওয়ামী লীগের ১ জন, জামায়াতের ২ জন এবং রাজনৈতিক পরিচয় অজানা ১ জনের।
সহিংসতার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং পারস্পরিক সংঘর্ষ এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ১১৯টি ঘটনায় অন্তত ৯০৫ জন আহত এবং ৮ জন নিহত হয়েছেন। বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে ২৩২টি ঘটনায় অন্তত ১,৪২৯ জন আহত এবং ৪ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ৩টি ঘটনায় ৩ জন আহত ও ১ জন নিহত হয়েছেন। বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষে ১৬টি ঘটনায় ১৪১ জন আহত হয়েছেন এবং বিএনপি-অন্যান্য দলের মধ্যে ১৭টি ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৩ জন। অন্যান্য দলের মধ্যে সংঘটিত ১০টি ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৮ জন।
এছাড়া, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ৬ মাসে অন্তত ১২টি ঘটনায় কমপক্ষে ১৮ জন নারী হেনস্তার শিকার হয়েছেন এবং ৬ জন নারী আহত হয়েছেন। হেনস্তার শিকারদের মধ্যে ১৭ জন জামায়াত সমর্থক এবং ১ জন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমর্থক নারী রয়েছেন।
রাজনৈতিক মামলা ও আটকের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ধারায় কমপক্ষে ১৪৪ টি মামলা হয়েছে। এ সকল মামলায় ৩২৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২৪৫১৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। এ সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কমপক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩০৬৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যেখানে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী অন্তত ২৪১৫ জন, বিএনপির নেতাকর্মী ৪৯৭ জন এবং জামায়াতের ১০৯ জন, এনসিপি ২৬ জন। এছাড়া এই সময়ে সারাদেশে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২৬ সহস্রাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের একই সময়ে ৮,৫৬৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১৫,৯৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ১১৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া, একই সময়ে বিভিন্ন মামলায় ২৩,১২১ জন গ্রেফতার হন, যার মধ্যে ২২,৯৯৫ জনই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।
মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের ঘটনার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে ৪০ টি সভা ও সমাবেশ আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বাধা প্রদান করে। এতে ৩১১ জন ব্যক্তি আহত ও ৩৮ জন আটক হন, যাদের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মী, শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
এছাড়া, এই সময়ে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এর বিভিন্ন ধারার অধীনে পৃথক ৩০টি মামলায় ৮১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪৪ জনকে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যাক্তির সমালোচনায় ১ জনকে পিটিয়ে হত্যা, ২ জন আহত, ১৮ জনকে আটক ও ১৭ টি মামলা হয়েছে। এছাড়া ১৭ জনকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও কুরআন অবমাননার অভিযোগে আটক করা হয়েছে, এবং এসব ঘটনায় ১৭টি মামলা দায়ের ও ১ জন মারধরের শিকার হয়েছে। যেখানে, ২০২৫ সালের একই সময়ে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩–এর অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া মোট ১৬টি মামলায় ২৩ জনকে অভিযুক্ত এবং ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনার তথ্য উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সময়ে ২০০ টি হামলার ঘটনায় ৩৮৩ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ সকল ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৩৪ জন, লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন ৬০ জন, হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন ৪৯ জন সাংবাদিক এবং ১১ জন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। এছাড়া সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ-২০২৫ এর অধীনে ৩৩ জন সাংবাদিককে আসামী করে পৃথক ১৫ টি মামলা হয়েছে। যেখানে, ২০২৫ সালে একই সময়ে ১৫২ টি ঘটনায় ২৫৭ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছিলেন, এর মধ্যে আহত ছিলেন ১১১ জন।
মব সহিংসতা ও গণপিটুনীর ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে গণপিটুনী ও মব সহিংসতায় সারাদেশ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাক-বিতন্ডা, আধিপত্য বিস্তার, ধর্মীয় অবমাননাসহ নানা অভিযোগে ২৬১ টি ঘটনায় ১৩৩ জন নিহত ও ২৫৬ জন আহত হয়েছেন। যেখানে, ২০২৫ সালের একই সময়ে ১৪১টি ঘটনায় অন্তত ৬৭ জন নিহত এবং ১১৯ জন আহত হন।
সংখ্যালঘু নির্যাতন ও হামলার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ৫০ টি হামলার ঘটনায় ৫৬ জন আহত হয়েছেন, এবং ১৯ টি মন্দির, ১৫ টি প্রতিমা ও ৪৩ টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে । জমি দখলের ৪ টি ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী এক নারী গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। যা, ২০২৫ সালের একই সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ১০টি হামলায় ৪ জন আহত ছিলো, সে সময়ে ১টি মন্দির, ১১টি প্রতিমা এবং ১৮টি বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গত ছয় মাসে ১৬২১ জন নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে ১৬২১ জন নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ১০৪২ জন ছিল। অর্থাৎ নির্যাতনের ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৬২১ জন নারী ও কন্যা শিশুর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪০৪ জন, যাদের মধ্যে ২৩৮ জন (৫৯ শতাংশ) ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোরী। এটা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে, ৮৮ জন (২৭ শতাংশ) নারী ও কন্যা শিশু গণধর্ষনের শিকার হয়েছেন এবং ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে ১৭ জনকে। ধর্ষিত হয়ে আত্মহত্যা করেছেন ১ জন।
৪৭৬ জন নারী ও কন্যা শিশু যৌন নিপীড়ণের শিকার হয়েছেন তন্মধ্যে শিশু ১৭৩ (২৩ শতাংশ) জন। এছাড়া, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের ঘটনায় নিহত ১৯ জন, আহত ৮জন ও ৩ জন নারী আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন ৩২০ জন, আহত হয়েছেন ২১১ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন ১৪৭ জন নারী। এছাড়া এসিড সহিংসতায় আহত হয়েছেন ৪ জন নারী।
অন্যদিকে, ১০৭৭ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন যাদের মধ্যে ৩০৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৭৭২ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যা ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬৭৩ জন শিশু, যার মধ্যে ১৩২ জন নিহত এবং ৫৪১ জন নির্যাতনের শিকার হয়।
সার্বিক বিষয়ে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্র ও সমাজের সকল স্তরে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক, মানবাধিকার সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি, যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃঢ় হয় এবং মানুষের মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সহিংসতা, মব সহিংসতা, কারাগার ও হেফাজতে মৃত্যু, নারী ও শিশু নির্যাতন, সাংবাদিক ও শ্রমিক নির্যাতন, রাজনৈতিক উত্তেজনা, এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ-এসব বিষয় সমাধান করা না হলে মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে।
এসময় সরকারের প্রতি মানবাধিকার রক্ষায় আরও জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সকল নাগরিক, গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতি এইচআরএসএসের পক্ষ থেকে অধিক সোচ্চার ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান তিনি।
