ডেমরায় মহিলা দল নেত্রীর কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ

রাজধানীর ডেমরায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ডেমরা থানা শাখার সভাপতি রিনা ইয়াসমিনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা, মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৪ জন নেতা ও আরো অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জন বিরুদ্ধে। এবিষয়ে দৈনিক সকালের সময় কে ডেমরা থানার মহিলা দলের সভাপতি রিনা ইয়াসমিনের বলেন ,৬৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন খান রিপন, যাত্রাবাড়ী থানার মহিলা দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শারমিন আক্তার রিতা, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈকত করিম ইমন এবং ৬৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সচিব ইসলাম রানা হামলায় জড়িত ছিলো। অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্ত ১৫ জনই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তাদের মধ্যে কয়েকজন হামলায় সরাসরি অংশ নেন এবং অন্যরা হামলায় সহযোগিতা ও ইন্ধন দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগে বলা হয়, গত ১৩ জুন একটি বিচার-শালিশকে কেন্দ্র করে রিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে গত ১৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ১১:৩০ টার সময় ডেমরা থানাধীন কোনাপাড়া জাহানারা হক শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। রিনা ইয়াসমিনের অভিযোগ, হামলাকারীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এ সময় কার্যালয়ের আসবাবপত্র, কম্পিউটার, সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও তার মামাতো ভাই মোঃ বজলুর রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে পরবর্তী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ ছাড়া তার পরনে থাকা কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগও করেছেন তিনি। অভিযোগপত্রে কার্যালয়ে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল ও নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত রিনা ইয়াসমিন ও মোঃ বজলুর রহমান কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি এ ঘটনায় ডেমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা ও কার্যালয়ে ভাঙচুর-লুটপাট চালানো হয়েছে। এ ঘটনার বিষয়ে ডেমরা থানার মহিলা দলের সভাপতি রিনা ইয়াসমিন ডেমরা থানায় অভিযোগের বিষয়ে ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তাইফুর রহমান মির্জাকে ঘটনার বিষয় জানানোর পরে তিনি স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীকে মুঠোফোনে ঘটনার বিষয় মীমাংসা করার জন্য প্রস্তাব করেন, পরবর্তী ডেমরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয় কিন্তু এখন পর্যন্ত (ওসি) কোন মামলা নেয়নি, এ বিষয় নিয়ে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে একাধিকবার মুঠোফোনে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এবিষয়ে ডেমরা থানার অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামাল বলেন, অফিসে যাওয়া এবং ভাঙচুর করা টোটালি আইন বহির্ভূত করা হয়েছে । দেশের আইনে বেআইনি করা হয়েছে।

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email