তারেক রহমানের জনসভার ১৮টি মাইক, ৫ কয়েল তার চুরি

কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও চট্টগ্রামে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাস্থলের আশপাশ থেকে ১৮টি মাইক এবং পাঁচ কয়েল তার চুরি হয়েছে। আজ রোববার সকালে এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাউন্ড সিস্টেমের মালিক।

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ময়দানে তারেক রহমানের জনসভাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা নেওয়া হয়। পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সেখানে নিয়োজিত ছিলেন। সমাবেশস্থল ও আশপাশে ড্রোন ওড়ানো এবং সব ধরনের অস্ত্র ও ঝুঁকিপূর্ণ বস্তু বহন নিষিদ্ধ করে সিএমপি। সেই সঙ্গে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক দ্রব্য, দাহ্য পদার্থ, লাঠি, ধারালো অস্ত্র, পাথরসহ নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে—এমন যেকোনো বস্তু বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু এত নিরাপত্তার মধ্যেও চুরির ঘটনা ঘটেছে।

চুরির ঘটনায় সকালে কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাউন্ড ও মাইক সিস্টেমের মালিক আবদুর রাজ্জাক। তিনি ঢাকা রাজ সাউন্ড সিস্টেমের মালিক।

২০ বছর পর চট্টগ্রামের কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দিয়েছেন তারেক রহমান। আজ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি সমাবেশস্থলে এসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি মঞ্চে ওঠেন। এর আগে গতকাল রাত ৮টায় চট্টগ্রামে আসেন তারেক রহমান। তার নিরাপত্তায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিছু রাস্তায় শনিবার রাত থেকেই যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আবদুর রাজ্জাক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সমাবেশে আমরা প্রায় ২০০ মাইক লাগিয়েছিলাম। গতরাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে একবার লাইন চেক করে আমরা চলে যাই। মাইকের নিরাপত্তায় রাস্তায় আমার দুজন লোক টহলে ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘সকালে পুনরায় মাইক চেক দেওয়ার সময় ১৮টি মাইকের ইউনিট ও পাঁচ কয়েল তার চুরির বিষয়টি সামনে আসে। পরে বিষয়টি বিএনপি নেতাদের জানালে তারা থানায় অভিযোগ করতে বলেন। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, খোয়া যাওয়া মাইকগুলো সমাবেশস্থলের গেটের বাইরে সড়কের ইলেকট্রিক পোলের সঙ্গে ১৫–১৬ ফুট উঁচুতে লাগানো ছিল।

চুরির বিষয়টি জানতে সিএমপির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়াকে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন ধরেননি। কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমি তারেক সাহেবের প্রটোকলে আছি। মাইক চুরির কথা জানি না।’

Facebook
X
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email